April 19, 2026, 12:41 pm

মুক্তিযোদ্ধাবান্ধব সিটি করপোরেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবোঃ মেয়র ব্যারিস্টার তাপস

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে (ঢাদসিক) একটি মুক্তিযোদ্ধাবান্ধব সিটি করপোরেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

আজ রবিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে বাসাবো শহীদ আলাউদ্দিন পার্কের সেমিনার কক্ষে ‘৩০শে জানুয়ারি বাসাবো ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট ১৪৬ জন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্র সমর্পণের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন’ উপলক্ষে আয়োজিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান কার্যালয় নগর ভবন হতে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাদসিক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আমাদের মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের পরবর্তী প্রজন্ম – – আমরা শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত, আমৃত্যু সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাবো। আপনাদের সন্তান হিসেবে আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকার এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনটি একটি মুক্তিযোদ্ধাবান্ধব সিটি করপোরেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।

বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং তাঁদের আগামী প্রজন্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “মুক্তিযোদ্ধাগণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শুধু স্বাধীনতায় এনে দেননি, তাঁরা জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ গঠনে আজও অবদান রেখে চলেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় মুক্তিযোদ্ধাগণ ও তাদের সন্তানেরা উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।”

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে সবসময় গর্ববোধ করেন উল্লেখ করে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে নিজের জীবন বাজি রেখে নতুন প্রজন্মের জন্য, বাঙালি জাতিসত্তার জন্য আপনারা একটি নতুন দেশ রচনা করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনির সন্তান হিসেবে আমি সারাজীবন আপনাদের পাশে থাকতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”

অনুষ্ঠানে ১১১ জন জীবিত গেরিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ৫ শহীদ পরিবারের সদস্যদেরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শামসুজ্জামান বাবুলের সঞ্চালনায় ও কমান্ডার এম এ রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব শফিকুল বাহার মজুমদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা